সাইয়িদ সুলাইমান নদবি
জন্ম: ২২ নভেম্বর ১৮৮৪ - মৃত্যু: ২২ নভেম্বর ১৯৫৩) গবেষক, পণ্ডিত, ইতিহাসবেত্তা ও সাহিত্যিক আলেম। তিনি হুসাইন ইবনে আলির বংশধর। তার প্রসিদ্ধ রচনা হল- সীরাতুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, খুতুবাতে মাদরাস, সীরাতে আয়েশা, তারীখে আরদুল কুরআন, আরব ও হিন্দ কে তাআল্লুকাত, আরবূ কি জাহাযরানী, হায়াতে শিবলী। দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া (একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। হিন্দুস্তানের রাজনীতি ও স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। খেলাফত কমিটি, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ও কংগ্রেসের মিটিংগুলোতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। কয়েকটি সভায় সভাপতিত্বও করেন। আশরাফ আলী থানভীর খলিফা তিনি। [১][২][৩][৪] তিনি মাআরিফের দীর্ঘকাল প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
১৯০৭ সালে আন-নদওয়া পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক এবং নদওয়াতুল উলামার আরবী সাহিত্যের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তারপর কলকাতা গিয়ে মাওলানা আবুল কালাম আযাদের সঙ্গে আল-হেলাল পত্রিকার সম্পাদনা বিভাগে কাজ করেন। ১৯১৪ সালের শুরুর দিকে দাক্ষিণাত্যের পোনা কলেজে ফারসী ভাষার এসিস্টেন্ট প্রফেসর হিসাবে যোগ দেন। সে বছরের নভেম্বরে আল্লামা শিবলী নোমানী রাহ.-এর ইনতিকালের পর দারুল মুসান্নিফীন আযমগড়ে নিযুক্ত হন। ১৯১৬ সালে মাআরিফ প্রকাশ করেন, যা এখনো প্রকাশিত হচ্ছে। মাদরাজে একটি ধারাবাহিক ইসলামী আলোচনা সভার শৃভারম্ভ হয় ৷ এতে অক্টোবর ও নভেম্বর দুই মাসব্যাপী আটটি অধিবেশন হয়। আলোচক ছিলেন সাইয়ােদ সুলাইমান নদভী তিনি সীরাত বিষয়ক লিখিত অটিটি ভাষণ প্রদান করেন৷ এগুলোই ইতিহাসে খুতৃবাতে মাদরাজ নামে পরিচিত। এটি ১৯২৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
১৯৩৩ সালে তিনি তার উল্লেখযোগ্য বই খৈয়াম এক প্রকাশ করেন। এই বইটির নিউক্লিয়াস উল্লেখযোগ্য ফারসি পণ্ডিত ও কবি ওমর খায়য়ামের একটি নিবন্ধ। ১৯৪০ সালে তার ''রহমত-ই -আলম''মুহাম্মদ সম্পর্কে শিশুদের একটি বই প্রকাশ করেছিলেন। ব্রিটিশ ভারতবর্ষে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যকে সমর্থনকারী অন্যান্যদের পাশাপাশি সাইয়েদ সুলাইমান নদভী প্রস্তাব করেছিলেন যে "উর্দু" শব্দটি " হিন্দুস্তানি ভাষা" পক্ষে ছেড়ে দেওয়া হবে কারণ প্রাক্তন সামরিক বিজয় ও যুদ্ধের চিত্রকে আপত্তিকর করে তুলেছিল, কিন্তু পরবর্তীকালে এগুলির কোনো প্রতীক ছিল না। প্রতিষ্ঠা করেছেন দার-উল-মুসান্নিফিন (লেখক একাডেমি), এছাড়াও শিবলী একাডেমী আজমগড়। সেখানে প্রকাশিত প্রথম বই আরদ-উল-কুরআন (২ ভলিউম) ছিল।
১৯৩৩ সালে তিনি তার উল্লেখযোগ্য বই খৈয়াম এক প্রকাশ করেন। এই বইটির নিউক্লিয়াস উল্লেখযোগ্য ফারসি পণ্ডিত ও কবি ওমর খায়য়ামের একটি নিবন্ধ। ১৯৪০ সালে তার ''রহমত-ই -আলম''মুহাম্মদ সম্পর্কে শিশুদের একটি বই প্রকাশ করেছিলেন। ব্রিটিশ ভারতবর্ষে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যকে সমর্থনকারী অন্যান্যদের পাশাপাশি সাইয়েদ সুলাইমান নদভী প্রস্তাব করেছিলেন যে "উর্দু" শব্দটি " হিন্দুস্তানি ভাষা" পক্ষে ছেড়ে দেওয়া হবে কারণ প্রাক্তন সামরিক বিজয় ও যুদ্ধের চিত্রকে আপত্তিকর করে তুলেছিল, কিন্তু পরবর্তীকালে এগুলির কোনো প্রতীক ছিল না। প্রতিষ্ঠা করেছেন দার-উল-মুসান্নিফিন (লেখক একাডেমি), এছাড়াও শিবলী একাডেমী আজমগড়। সেখানে প্রকাশিত প্রথম বই আরদ-উল-কুরআন (২ ভলিউম) ছিল।