৪৮-৭২ ঘন্টায় ক্যাশ অন ডেলিভারি। ০১​৫​৮১১০০০০১​

ক্ষুদ্রঋণ, শিক্ষা, বেকারত্ব ও বিসিএস
ক্ষুদ্রঋণ, শিক্ষা, বেকারত্ব ও বিসিএস
337.50 ৳
450.00 ৳ (25% OFF)
সবার জন্য প্রোগ্রামিং
সবার জন্য প্রোগ্রামিং
262.50 ৳
350.00 ৳ (25% OFF)

নারীবাদী প্রস্তাবনা

https://gronthik.com/web/image/product.template/207/image_1920?unique=11530ed

165.00 ৳ 165.0 BDT 220.00 ৳

220.00 ৳

Not Available For Sale


This combination does not exist.

Out of Stock

নারীর প্রতি ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের যে মনোভাব তা বোঝার জন্য ‘কোনো’ রাষ্ট্র প্রশ্ন করার প্রয়োজন পড়ে না। সকল রাষ্ট্রেই নারীকে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হয়। শিক্ষা ও সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে হয়তো ধরন ও মাত্রার কিছুটা ভিন্নতা ও কম বেশি রয়েছে। তাই তো প্রায় ছ’হাজার মাইল দূর দেশে থেকে কালো নাইজেরিয়ান নারীরা যে পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে তা এই আপাত ‘উন্নয়নশীল’, নারী অগ্রযাত্রার দেশে বসেও উপলব্ধি করা যায়। সেই নারীদের প্রতি প্রতিনিয়ত ঘটমান অন্যায়, অসহযোগের মাত্রা, তার প্রতি আগ্রাসী আচরণ টের পাওয়া যায়। যে আগুন জ্বলছে তার ওম ঠিক এখানে বসেও গায়ে এসে লাগে। চিমামান্দার বইগুলো যেন আমাদেরই কথা বলে। যেন তিনি আমাদের পাড়ায় থাকেন। রোজ ভিড় বাসে, পায়ে হেঁটে বা গাড়ি করে আমাদেরই পথ পাড়ি দেন। মনে হয় না দেশ, কাল, সীমানা প্রাচীর নারীর অবস্থানকে কিছুমাত্র বদলাতে পারে।  জন্মের আগে থেকেই পুত্র সন্তানের প্রত্যাশা, মেয়ে শিশুর প্রতি অবজ্ঞা, তার লালন-পালন, তার প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রা, জীবন-সঙ্গী নির্বাচন ও নির্বাচনের প্রক্রিয়া, বিয়ে, বিয়ে পরবর্তী জীবন, সাংসারিক দায়িত্ব, সন্তান গ্রহণের সিদ্ধান্তসহ ছোট থেকে বড় কোনো ক্ষেত্রেই নারীর নিজের কর্তৃত্ব নেই। তার কাজ কেবলই অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকা, অন্যের মুখের দিকে চেয়ে থেকে জীবন কাটিয়ে দেয়া। কোথাও এর আস্থা

নেই।  কিন্তু নিশ্চয়ই কোথাও এর শেষ আছে। কোথাও নতুন শুরু আছে। শত বছরের পুরনো নদীর পথও কখনো বদলায়, পুরনো তীর ভেঙে যায়। নোঙর করা নৌকার ঠিকানাও বদলায়। সময়ের এই পরিবর্তন আটকানোর জো নেই। বিশ্বে নারীর অবস্থান এখন যেমন গত শতাব্দীতে নিশ্চয়ই তেমন ছিল না, তার আগের শতাব্দীতেও নিশ্চয়ই গত শতাব্দীর ছায়ামাত্র ছিল না। পারিবারিক-সামাজিক কাঠামো, নাগরিক সংস্কৃতি সকলই ধারা-বদলের মধ্য দিয়ে পরের সকালের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মহাকালে এইসবই ইতিহাস। এই ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে মানুষ একদিন কেবল মানুষ হবে। মানুষের নাম-ঠিকানা, ধর্ম-গায়ের রং, পাসপোর্ট সেখানে একটা পরিচয় বৈ কিছু নয়।  ব্রাহ্মণ-শূদ্র, কোটিপতি-দিনমজুর, সাদা-কালোর বিশ্বে প্রকট হয়ে আছে একের হাতে অন্যের স্বাধীনতা, স্বাতন্ত্র। কালো বা বাদামিরা যেখানে শোষিতের চূড়ান্ত রূপ। কিন্তু শোষিতের হাতে আরও শোষিত হন কালো নারীরা। চিমামান্দা শৈশব থেকেই সেই শোষণ দেখেছেন। দেখেছেন কী করে সাদাদের দুনিয়ায় টিকে থাকতে কালোরা লড়াই করে গেছেন আজীবন, আর দেখেছেন সেই লড়াই করে টিকে থাকা মানুষগুলোও কী করে তারই মতো মানুষদের ওপর শুধুমাত্র নারী হবার কারণে শোষণ করে যাচ্ছেন। যেখানে কালো হবার আন্দোলনকে স্বীকৃতি দেয়া হয় সেখানে লিঙ্গ পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে যে নারীকে অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে তার স্বীকৃতি মেলে না। নারীর সমতার আন্দোলনকে হেসে বাতিল করে দেয়া হয়। কেউ শোষিত হলেই যে অন্যের যন্ত্রণা বুঝবে, নিপীড়িতের আহাজারি, তার ক্ষরণে ব্যথিত হবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই; তার টেক্সটবুক এক্সাম্পল এই বইখানি। বইটি নাইজেরিয়ার প্রেক্ষাপটে রচিত হলেও বাংলাদেশে বর্তমান কালে নারীরা প্রতি পদে যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন, রাষ্ট্র ও সমাজ কর্তৃক হয়রানির শিকার হন তার পরিস্থিতি বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে।

চিমামান্দা এনগোজী

চিমামান্দা এনগোজী আদিচি (জন্ম ১৯৭৭) একজন নাইজেরিয়ান লেখক এবং সমসাময়িক আফ্রিকান সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর। তার লেখায় নাইজেরিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং সাম্প্রতিক সামাজিক সমস্যাগুলি তুলে ধরা হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আদিচির প্রথম উপন্যাস “Purple Hibiscus” (২০০৩) নাইজেরিয়ার একটি পরিবার ও সমাজের উপর ধর্মীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে লেখা, যা সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে। তার পরবর্তী উপন্যাস “Half of a Yellow Sun” (২০০৬) বিয়াফ্রা যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এবং এটি তাকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। আদিচির বিখ্যাত নন-ফিকশন বই “We Should All Be Feminists” (২০১৪) নারীবাদ নিয়ে একটি প্রভাবশালী কাজ, যা বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা বলে এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তার অঙ্গীকারকে তুলে ধরে। তার কাজ কেবল সাহিত্যের জগতে নয়, বরং বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আলোচনায়ও গুরুত্ব পেয়েছে। চিমামান্দা এনগোজী আদিচি আজকের বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী সাহিত্যিক, যিনি সাহসিকতা, স্বাধীনতা, এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতিনিধিত্ব করে চলেছেন।

Writer

চিমামান্দা এনগোজী

Translator

বীথি সপ্তর্ষি

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

ISBN

9789849806660

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

পেপারব্যাক

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২০

Pages

96

নারীর প্রতি ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের যে মনোভাব তা বোঝার জন্য ‘কোনো’ রাষ্ট্র প্রশ্ন করার প্রয়োজন পড়ে না। সকল রাষ্ট্রেই নারীকে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হয়। শিক্ষা ও সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে হয়তো ধরন ও মাত্রার কিছুটা ভিন্নতা ও কম বেশি রয়েছে। তাই তো প্রায় ছ’হাজার মাইল দূর দেশে থেকে কালো নাইজেরিয়ান নারীরা যে পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে তা এই আপাত ‘উন্নয়নশীল’, নারী অগ্রযাত্রার দেশে বসেও উপলব্ধি করা যায়। সেই নারীদের প্রতি প্রতিনিয়ত ঘটমান অন্যায়, অসহযোগের মাত্রা, তার প্রতি আগ্রাসী আচরণ টের পাওয়া যায়। যে আগুন জ্বলছে তার ওম ঠিক এখানে বসেও গায়ে এসে লাগে। চিমামান্দার বইগুলো যেন আমাদেরই কথা বলে। যেন তিনি আমাদের পাড়ায় থাকেন। রোজ ভিড় বাসে, পায়ে হেঁটে বা গাড়ি করে আমাদেরই পথ পাড়ি দেন। মনে হয় না দেশ, কাল, সীমানা প্রাচীর নারীর অবস্থানকে কিছুমাত্র বদলাতে পারে।  জন্মের আগে থেকেই পুত্র সন্তানের প্রত্যাশা, মেয়ে শিশুর প্রতি অবজ্ঞা, তার লালন-পালন, তার প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রা, জীবন-সঙ্গী নির্বাচন ও নির্বাচনের প্রক্রিয়া, বিয়ে, বিয়ে পরবর্তী জীবন, সাংসারিক দায়িত্ব, সন্তান গ্রহণের সিদ্ধান্তসহ ছোট থেকে বড় কোনো ক্ষেত্রেই নারীর নিজের কর্তৃত্ব নেই। তার কাজ কেবলই অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকা, অন্যের মুখের দিকে চেয়ে থেকে জীবন কাটিয়ে দেয়া। কোথাও এর আস্থা

নেই।  কিন্তু নিশ্চয়ই কোথাও এর শেষ আছে। কোথাও নতুন শুরু আছে। শত বছরের পুরনো নদীর পথও কখনো বদলায়, পুরনো তীর ভেঙে যায়। নোঙর করা নৌকার ঠিকানাও বদলায়। সময়ের এই পরিবর্তন আটকানোর জো নেই। বিশ্বে নারীর অবস্থান এখন যেমন গত শতাব্দীতে নিশ্চয়ই তেমন ছিল না, তার আগের শতাব্দীতেও নিশ্চয়ই গত শতাব্দীর ছায়ামাত্র ছিল না। পারিবারিক-সামাজিক কাঠামো, নাগরিক সংস্কৃতি সকলই ধারা-বদলের মধ্য দিয়ে পরের সকালের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মহাকালে এইসবই ইতিহাস। এই ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে মানুষ একদিন কেবল মানুষ হবে। মানুষের নাম-ঠিকানা, ধর্ম-গায়ের রং, পাসপোর্ট সেখানে একটা পরিচয় বৈ কিছু নয়।  ব্রাহ্মণ-শূদ্র, কোটিপতি-দিনমজুর, সাদা-কালোর বিশ্বে প্রকট হয়ে আছে একের হাতে অন্যের স্বাধীনতা, স্বাতন্ত্র। কালো বা বাদামিরা যেখানে শোষিতের চূড়ান্ত রূপ। কিন্তু শোষিতের হাতে আরও শোষিত হন কালো নারীরা। চিমামান্দা শৈশব থেকেই সেই শোষণ দেখেছেন। দেখেছেন কী করে সাদাদের দুনিয়ায় টিকে থাকতে কালোরা লড়াই করে গেছেন আজীবন, আর দেখেছেন সেই লড়াই করে টিকে থাকা মানুষগুলোও কী করে তারই মতো মানুষদের ওপর শুধুমাত্র নারী হবার কারণে শোষণ করে যাচ্ছেন। যেখানে কালো হবার আন্দোলনকে স্বীকৃতি দেয়া হয় সেখানে লিঙ্গ পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে যে নারীকে অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে তার স্বীকৃতি মেলে না। নারীর সমতার আন্দোলনকে হেসে বাতিল করে দেয়া হয়। কেউ শোষিত হলেই যে অন্যের যন্ত্রণা বুঝবে, নিপীড়িতের আহাজারি, তার ক্ষরণে ব্যথিত হবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই; তার টেক্সটবুক এক্সাম্পল এই বইখানি। বইটি নাইজেরিয়ার প্রেক্ষাপটে রচিত হলেও বাংলাদেশে বর্তমান কালে নারীরা প্রতি পদে যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন, রাষ্ট্র ও সমাজ কর্তৃক হয়রানির শিকার হন তার পরিস্থিতি বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে।

Writer

চিমামান্দা এনগোজী

Translator

বীথি সপ্তর্ষি

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

ISBN

9789849806660

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

পেপারব্যাক

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২০

Pages

96

একই বিষয়ের অন্যান্য বই
জনপ্রিয় বই
রিসেন্ট ভিউ বই
Your Dynamic Snippet will be displayed here... This message is displayed because you did not provided both a filter and a template to use.
WhatsApp Icon