৪৮-৭২ ঘন্টায় ক্যাশ অন ডেলিভারি। ০১​৫​৮১১০০০০১​

ক্ষুদ্রঋণ, শিক্ষা, বেকারত্ব ও বিসিএস
ক্ষুদ্রঋণ, শিক্ষা, বেকারত্ব ও বিসিএস
337.50 ৳
450.00 ৳ (25% OFF)
সবার জন্য প্রোগ্রামিং
সবার জন্য প্রোগ্রামিং
262.50 ৳
350.00 ৳ (25% OFF)

৭১

https://gronthik.com/web/image/product.template/307/image_1920?unique=ad5b02b

562.50 ৳ 562.5 BDT 750.00 ৳

750.00 ৳

Not Available For Sale


This combination does not exist.

Out of Stock
এই বই সম্পর্কে পুলিন বকসী বলেছেন

ভাষার গাঁথুনি, বাক্যের ব্যাবহার, নতুন শব্দ চয়ন ইত্যাদির পাশাপাশি দিনাজপুর অঞ্চলের লোকাল ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যাবহার উপন্যাসটিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সেই সাথে দারুণ সব উর্দু ডায়লগ মনোযোগ আকর্ষনকারী ছিলো। পুরো বইটি পড়লে বোঝা যায়, লেখিকা যথেষ্ট পড়াশোনা করেই এই লেখনী শুরু করেছেন। পাশাপাশি তিনি সম্ভবত ব্যাক্তিগতভাবে অনেক সাক্ষাতকার নিয়েই এই উপন্যাস লিখেছেন। যে কারণে ‘ইউটপিয়ান’, বয়ান একদমই নেই। অতি ‘নায়কোচিত’ কোন চরিত্র কিংবা বর্ননাও নেই। উপন্যাসের চরিত্রগুলো আপনার পাশের বাড়ির চরিত্র বলেই মনে হবে।

এই বই সম্পর্কে Suronjona Maya বলেছেন

বাঙালির জীবনে ৭১ শুধু মাত্র একটা সংখ্যা নয়। ৭১ মানে অনেক অনেক কিছু। মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী না হয়ে ৭১ এর চিত্র এমন নিপুণ ভাবে তুলে ধরতে লেখককে প্রচুর কাঠখড় পোহাতে হয়েছে, তা নিশ্চিত বোঝা যায়। কোথাও একটুও অতিরঞ্জিত না করে সাবলীল ভাবে সাদিয়া বলে গেছেন দীঘলটারি গ্রামের কথা, দরদী, নাসির, কিনা মন্ডল, ফুলবাবু, হায়াতন, ইয়াসির, জোবায়দার কথা। পাকবাহিনী, আর তাদের দোসর বাঙালি রাজাকারদের বিভৎস, নিষ্ঠুর অত্যাচার, অন্যায়ের কথা যেমন এসেছে তেমনই এসেছে বারবার দেশ হারা, স্বজনহারা বিহারি জোবায়দাকে। যে কিনা অন্তর দিয়ে এই বাংলাকে আপন করে নিয়েছিলো। ভালবেসেছিলো এই বাংলার মাটি ও মানুষকে। জোবায়দার মতো ভিন্ন ভাষার বেশ কিছু দেশ প্রেমিককে আমি জানি। এদেশের মুক্তিযুদ্ধে যাদের অবদান আছে। কিন্তু ইতিহাসে তাদের নাম নেই। উপন্যাসের শেষে বিহারি রাজাকার ইয়াসিরের পরিনতি দেখে মন শান্ত হয়েছে। উদ্বিগ্ন মনে জোবায়দাকে খুঁজে আর পেলাম না।


শুরুটা কবে হয়েছে তা ঠিকঠাক বলা সম্ভব না। হয়তো এক মুঠো মাটি দেখে শুরু হয়েছিল কিংবা একটা বৃদ্ধ গাছ দেখে। যেদিন একটা বিস্তীর্ণ খোলা মাঠ কাছে ডেকে বলেছিল-‘এই দেখ এখানেও আছে’ হয়তো বা সেদিনই শুরু হয়েছিল। এমনও হতে পারে, হাওয়ার ঘূর্ণি যেদিন উড়িয়ে নিয়ে কাঞ্চন নদীর পাড়ে দাঁড় করিয়ে বলেছিল-‘এখানেও’ সেদিনই এর শুরু ছিল। এই শুরুটা এমনই যার অন্ত নেই। তবু এই লেখার যবনিকা টানলাম, আবার নতুন করে শুরু করব বলে। এখন নিজেকেই যদি প্রশ্ন করি কেন এই ৭১? ২০২২-২৩ এ বসে কেন ১৯৭১-এর কথা লিখছি? যার কিছুই নিজের চোখে দেখিনি তা নিয়ে কেন লিখছি? আসলে কেন এই আয়ুক্ষয়ের লেখালেখি তারই তো কোনও যৌক্তিক উত্তর খুঁজে পাই না, সত্যি বলতে খুঁজিও না। শুধু বলতে পারি, যখনই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম, আমাদের একাত্তর, মুক্তিযুদ্ধ বা জেনোসাইড নিয়ে কোনও লেখা বা বই পড়ি তখনই ইচ্ছে জাগে আমিও লিখব। হ্যাঁ অনেক শ্রদ্ধেয় লেখক-গবেষক এই বিষয়ে অজস্র গবেষণা করেছেন, অজস্র লেখা লিখেছেন, তবুও আমি লিখতে চাই। বারবার লিখতে চাই। লিখতে লিখতে জানতে চাই।  

এবার জানতে চেয়েছি দেশের উত্তরের বৃহত্তর জেলা দিনাজপুরের মুক্তিযুদ্ধ ও জেনোসাইড বিষয়ে। এই দেশের অন্যান্য জেলার মতো দিনাজপুরের মাটিও হাজারও   শহিদের রক্তে ¯œাত। এই রক্তঋণের দায় লাঘব করতেই পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা পড়েছি, পথে-ঘাটে খুঁজে ফিরেছি যুদ্ধের চিহ্ন, শুনেছি একাত্তরের কথা আর লিখে গেছি ৭১। ৭১ আমাদের সবার। ৭১ দ্বিধাহীন দৃঢ় প্রত্যয়ের, থরো থরো আবেগ যার পূর্বশর্ত। এই আবেগে স্পর্শ করেছি কাঞ্চন আর পুনর্ভবার জল, লক্ষ শহিদের রক্ত শুকানো মাটি। আর ৭১ কে কল্পনা করেছি, ঐ সময়ের মানুষগুলোকে কল্পনা করেছি। কল্পনায় বিভিন্ন চরিত্র নির্মাণ করে বলতে চেয়েছি একাত্তরের গল্প। হয়তো গল্পগুলো দরদী, আঞ্জুয়ারা, হায়াতন বিবি, আসমা, জোবাইদা, নাসির, ইয়াসির, আব্বাস, ইদ্রিস মুনসি, কিসমত, ফুলবাবু, টাট্টু মিলন, ফরিদুর কিংবা সবুজের না; অন্য কারও, গল্পগুলো হয়তো দীঘলটারিরও না, অন্য কোনও জনপদের। কিন্তু ৭১-এর গল্পগুলো একাত্তরের।

সাদিয়া সুলতানা

ছাত্রজীবন থেকে লেখক বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি করছেন। বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান এবং শিক্ষাবিদ আনিসুজ্জামানের সংকলন ও সম্পাদনায় প্রকাশিত আইন অভিধান 'আইন-শব্দকোষ' এ তিনি গবেষণা সহকারীরূপে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি বিচারক হিসাবে বাংলাদেশ বিচার বিভাগে কর্মরত আছেন।

Writer

সাদিয়া সুলতানা

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

ISBN

9789849806677

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৪

Pages

308

শুরুটা কবে হয়েছে তা ঠিকঠাক বলা সম্ভব না। হয়তো এক মুঠো মাটি দেখে শুরু হয়েছিল কিংবা একটা বৃদ্ধ গাছ দেখে। যেদিন একটা বিস্তীর্ণ খোলা মাঠ কাছে ডেকে বলেছিল-‘এই দেখ এখানেও আছে’ হয়তো বা সেদিনই শুরু হয়েছিল। এমনও হতে পারে, হাওয়ার ঘূর্ণি যেদিন উড়িয়ে নিয়ে কাঞ্চন নদীর পাড়ে দাঁড় করিয়ে বলেছিল-‘এখানেও’ সেদিনই এর শুরু ছিল। এই শুরুটা এমনই যার অন্ত নেই। তবু এই লেখার যবনিকা টানলাম, আবার নতুন করে শুরু করব বলে। এখন নিজেকেই যদি প্রশ্ন করি কেন এই ৭১? ২০২২-২৩ এ বসে কেন ১৯৭১-এর কথা লিখছি? যার কিছুই নিজের চোখে দেখিনি তা নিয়ে কেন লিখছি? আসলে কেন এই আয়ুক্ষয়ের লেখালেখি তারই তো কোনও যৌক্তিক উত্তর খুঁজে পাই না, সত্যি বলতে খুঁজিও না। শুধু বলতে পারি, যখনই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম, আমাদের একাত্তর, মুক্তিযুদ্ধ বা জেনোসাইড নিয়ে কোনও লেখা বা বই পড়ি তখনই ইচ্ছে জাগে আমিও লিখব। হ্যাঁ অনেক শ্রদ্ধেয় লেখক-গবেষক এই বিষয়ে অজস্র গবেষণা করেছেন, অজস্র লেখা লিখেছেন, তবুও আমি লিখতে চাই। বারবার লিখতে চাই। লিখতে লিখতে জানতে চাই।  

এবার জানতে চেয়েছি দেশের উত্তরের বৃহত্তর জেলা দিনাজপুরের মুক্তিযুদ্ধ ও জেনোসাইড বিষয়ে। এই দেশের অন্যান্য জেলার মতো দিনাজপুরের মাটিও হাজারও   শহিদের রক্তে ¯œাত। এই রক্তঋণের দায় লাঘব করতেই পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা পড়েছি, পথে-ঘাটে খুঁজে ফিরেছি যুদ্ধের চিহ্ন, শুনেছি একাত্তরের কথা আর লিখে গেছি ৭১। ৭১ আমাদের সবার। ৭১ দ্বিধাহীন দৃঢ় প্রত্যয়ের, থরো থরো আবেগ যার পূর্বশর্ত। এই আবেগে স্পর্শ করেছি কাঞ্চন আর পুনর্ভবার জল, লক্ষ শহিদের রক্ত শুকানো মাটি। আর ৭১ কে কল্পনা করেছি, ঐ সময়ের মানুষগুলোকে কল্পনা করেছি। কল্পনায় বিভিন্ন চরিত্র নির্মাণ করে বলতে চেয়েছি একাত্তরের গল্প। হয়তো গল্পগুলো দরদী, আঞ্জুয়ারা, হায়াতন বিবি, আসমা, জোবাইদা, নাসির, ইয়াসির, আব্বাস, ইদ্রিস মুনসি, কিসমত, ফুলবাবু, টাট্টু মিলন, ফরিদুর কিংবা সবুজের না; অন্য কারও, গল্পগুলো হয়তো দীঘলটারিরও না, অন্য কোনও জনপদের। কিন্তু ৭১-এর গল্পগুলো একাত্তরের।

Writer

সাদিয়া সুলতানা

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

ISBN

9789849806677

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৪

Pages

308

একই বিষয়ের অন্যান্য বই
রিসেন্ট ভিউ বই
Your Dynamic Snippet will be displayed here... This message is displayed because you did not provided both a filter and a template to use.
WhatsApp Icon