৪৮-৭২ ঘন্টায় ক্যাশ অন ডেলিভারি। ০১​৫​৮১১০০০০১​

একদলীয় সরকার যেভাবে এলো
একদলীয় সরকার যেভাবে এলো
525.00 ৳
700.00 ৳ (25% OFF)
সংস্কার সংলাপ (সুচনা সূত্র) : রাষ্ট্র, নির্বাচন, শাসন-প্রশাসন ও সংবিধান
সংস্কার সংলাপ (সুচনা সূত্র) : রাষ্ট্র, নির্বাচন, শাসন-প্রশাসন ও সংবিধান
375.00 ৳
500.00 ৳ (25% OFF)
Best Seller

চিন্তার অর্কেস্ট্রা (পাঁচ বিশিষ্ট চিন্তকের সঙ্গে আলাপচারিতা)

https://gronthik.com/web/image/product.template/345/image_1920?unique=11b9b3f

525.00 ৳ 525.0 BDT 700.00 ৳

700.00 ৳

Not Available For Sale


This combination does not exist.

Out of Stock
এই বই সম্পর্কে Shafiq Islam বলেছেন

বইয়ের গঠন এবং প্রশ্নোত্তরপর্বগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে করে যাঁরা এই পঞ্চপাণ্ডবের কাজ সম্পর্কে আগে থেকেই জ্ঞাত বইটি তাদের জন্য যেমন উপাদেয় হবে অন্যদিকে যারা পঞ্চপান্ডব সম্পর্কে খুব একটা অবগত নন তাদের জন্যও সহজবোধ্য হয়ে উঠবে। মোটকথা বইটি পঞ্চপান্ডবের চিন্তা ও দর্শনের একটি সারগ্রন্থ হিসেবে কাজ করবে।

এই বই সম্পর্কে বায়েজীদ হোসেন বলেছেন

"চিন্তার অর্কেস্ট্রা" — চিন্তা হলো অভ্যন্তরীণ উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া ; যা মনস্তাত্ত্বিক কার্যকলাপ এবং বাহ্যিক উদ্দীপনার মধ্যে মধ্যস্থতা করে। আর 'অর্কেস্ট্রা' একটি ইংরেজী শব্দ, যার উৎপত্তি গ্রীক শব্দ 'অরখিসত্রা' থেকে। অর্কেস্ট্রা'র বাংলা অনুবাদ হলো "সমবেত বাদকদল" কিংবা "ঐকতান-বাদকদল।" তাহলে বইটির নামের অর্থ দাঁড়ালো "চিন্তার ঐকতান।" এই ঐকতান বুদ্ধিবৃত্তিক বিপ্লব তৈরী করে, মুক্তির গান তৈরী করে। আমার প্রিয় কবি Robert Frost এর কবিতার একটি লাইন মনে পড়লো— "There are must be something wrong in wanting to silence any song." পৃথিবীর যেকোনো গানকে যারা থামাতে চায়, সেখানে নিশ্চয় কোনো সমস্যা আছে। আপনার ভেতরের চিন্তা যদি মুক্তির ঐকতান তৈরী করে এবং সেটা যদি কোনো বিপরীত শক্তি থামিয়ে দিতে চায়, তাহলে এই অপশক্তি ধ্বংস করতে "চিন্তার অর্কেস্ট্রা" প্রয়োজন।


বর্তমান পুস্তকের অন্তর্গত সাক্ষাৎকারসমূহ গ্রহণের সময়কাল মার্চ ২০২১ থেকে অক্টোবর ২০২২ সাল। অর্থাৎ দেড় বছর ধরে সাক্ষাৎকারগুলো নেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চিন্তকদের বইপত্র, লেখাঝোখা আমাকে নিবিড়ভাবে পড়তে হয়েছে, সেখান থেকে কোন কোন বিষয় ধরে আলোচনা এগিয়ে নেব তা নির্ধারণ করতে হয়েছে। 

সত্যি কথা বলতে, এই জার্নি আমার জন্য অত্যন্ত পরিশ্রমের এবং আনন্দের ছিল। প্রচ্ছদে উল্লিখিত পাঁচজন বিশিষ্ট চিন্তকের সর্বমোট সাতটি সাক্ষাৎকার আমি নিয়েছি। সাধারণত সাক্ষাৎকার যেমন হয়ে থাকে, এই বইয়ের সাক্ষাৎকারসমূহ সম্ভবত তার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন ধাঁচের হবে। 

কারণ যে সমস্ত বিষয় এখানে আলোচিত হয়েছে, সম্মানিত পাঠকবৃন্দ সেইসব বিষয়ে আমার দৃষ্টিভঙ্গিও খানিকটা আঁচ করতে পারবেন বোধকরি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশ্নটা উপলক্ষ মাত্র, প্রশ্নের আগের আলোচনাটাই মূল। তবে স্বীকার করে নেয়া ভালো, জরুরি প্রতিচিন্তা বের করে আনার স্বার্থে বেশ কিছু ক্ষেত্রে প্রতাপশালী ডিসকোর্সের পক্ষে আমি ডেভিল’স অ্যাডভোকেসি করেছি। 

ওইসব ক্ষেত্রে ওই মতগুলোতে আমার আস্থা না থাকলেও মতগুলোর জায়গা থেকে আলাপটা তুলেছি, যেন কার্যকর সমালোচনা উঠে আসে। তত্ত্ব এই বইয়ে আমার অন্যতম প্রধান মনোযোগের বিষয় হিসেবে থেকেছে। কারণ দুঃখজনক হলেও সত্য, রাজনীতি, অ্যাক্ টিভিজম কিংবা এমনকি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার ক্ষেত্রেও, বাংলাদেশে, তত্ত্ব প্রশ্নে মোটাদাগে তিন ধরনের অবস্থান দেখা যায়। এক, তত্ত্ববিমুখতা তথা তত্ত্ব করাকে বিলাসিতা এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে পলায়নপরতা হিসেবে বিবেচনা করা। 

দুই, ইতিমধ্যে প্রাপ্ত তত্ত্বের ব্যাপারে নিঃসংশয় থাকা এবং সেগুলোর পুনর্তদন্তে অনীহা। তিন, তত্ত্ব যা করা দরকার তা আমরা করে ফেলেছি, এখন কেবল ধর তক্তা মারো পেরেক-এমন মনোভাব। বলা বাহুল্য, এই তিন অবস্থানই ক্ষতিকর। কারণ প্রথম এবং সবচেয়ে যুতসই প্রতিরোধটা তত্ত্ব থেকেই আসে। প্রায়ই দেখা যায়, যেকোনো ক্ষমতাশীল বিদ্যমানতার যারা বিরোধিতা করছেন, তারা আর তাদের ক্ষমতাবান প্রতিপক্ষ-উভয়ে একই তাত্ত্বিক প্যারাডাইমে অবস্থান করছেন। কাজেই অধিপতিশীল ক্ষমতার বিরোধিতা করে সেই একই জিনিসে পর্যবসিত হতে না চাইলে সবার আগে দরকার তাত্ত্বিক ভিন্নতা। অবশ্য আপাত ন্যায়সঙ্গত কিংবা বিপ্লবী মতাদর্শের মোড়কে ক্ষমতা চর্চা কর‍তে চাইলে কথা ভিন্ন। একটা সম্পূর্ণ নতুন তাত্ত্বিক ভাষার জগত-পুরোনো সমস্ত কিছুকে সটান ঝেড়ে ফেলে দিয়ে নয়, নতুন সচেতনতার সাথে পুরোনো চিন্তাকে হালনাগাদ করে নিয়ে— নির্মাণের চেষ্টা আমার কাছে এই সময়ের সবচেয়ে জরুরি রাজনৈতিক-বুদ্ধিবৃত্তিক কর্তব্য বলে মনে হয়। সে কারণেই তত্ত্ব ও তৎপরতার একটা কার্যকর যুগলবন্দী খুঁজে পাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টার ছাপ এই বইয়ের সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই পুস্তকে পাঁচজন বিশিষ্ট তাত্ত্বিক ও চিন্তকের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতা গড়ে তোলা হয়েছে-তা ইতিমধ্যে উল্লিখিত। 

যে পাঁচজন তাত্ত্বিকের সাথে আমার আলাপচারিতার সুযোগ ঘটেছে, তারা প্রত্যেকেই স্ব স্ব কাজের ক্ষেত্রে এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদ্যায়তনিক ও ক্রিটিক্যাল বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার পরিসরে বহুল পরিচিত-পঠিত। মূলত তাঁদের কাজের এলাকাগুলোর সাথে বাংলাদেশের ভাবুক ও চিন্তাশীল পাঠককে পরিচয় করিয়ে দেয়ার তাড়না এই সাক্ষাৎকারগুলোর অন্যতম অনুঘটক। এছাড়াও আলোচনায় সেইসকল বিষয়ই প্রাধান্য পেয়েছে, যেগুলো বাংলাদেশের জনপরিসরের এবং প্রাত্যহিক জনজীবনের জ্বলন্ত বিষয়। 

আলাপচারিতাটা গড়ে তুলবার সময়ে আমার মূল ঝোঁক ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাস্তবতার প্রতি খেয়াল রাখা। সেটা কতটা করতে পেরেছি বা আদৌ পেরেছি কি না তার বিচারের ভার পাঠকের দরবারে। এ পরিসরে কেবল এইটুকু বলা জরুরি, এই বইয়ের সাক্ষাৎকারসমূহ আমার নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক বোঝাপড়াকে ঝালাই করার ক্ষেত্রে বিপুলভাবে সহায়ক হয়েছে; আশা করি তার কিছু নজির এই বইয়ে পেশ করতে পেরেছি। সংশ্লিষ্ট চিন্তকদের বইপত্র ও লেখাঝোখা পড়তে পড়তে টেক্সট পাঠের কলাকৌশল রপ্ত করার ক্ষেত্রেও একটা জবরদস্ত মহড়া হয়েছে-প্রাপ্তি হিসেবে এর মূল্যও নেহায়েত কম নয়। বইটি পড়ার সময়ে বিদগ্ধ পাঠকবৃন্দ এই মশহুর চিন্তকদের পাশাপাশি আমাকেও পড়বেন সেই আশাবাদ রাখছি।  

সারোয়ার তুষার

জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। বুদ্ধিবৃত্তিক নানা তৎপরতার সাথে যুক্ত। আগ্রহের এলাকা রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সহিংসতা, ইতিহাস, দর্শন, ধর্ম ও ধর্মতত্ত্ব, বিউপনিবেশায়ন, প্ল্যানেটারি সায়েন্স, তত্ত্ব, চিন্তাপদ্ধতির ইতিহাস ও সমাজ-সম্পর্ক। তিনি বিভিন্ন জার্নাল, পত্রিকা, ব্লগ ও অনলাইন ম্যাগাজিনে নিয়মিত লিখছেন। প্রকাশিত বই সময়ের ব্যবচ্ছেদ (সহলেখক : সহুল আহমদ) প্রকাশিতব্য বই কোয়ারেন্টাইন স্টেট; বুদ্ধিবৃত্তির বর্তমান বিন্যাস।

Writer

সারোয়ার তুষার

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

ISBN

9789849884279

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৪

Pages

260

বর্তমান পুস্তকের অন্তর্গত সাক্ষাৎকারসমূহ গ্রহণের সময়কাল মার্চ ২০২১ থেকে অক্টোবর ২০২২ সাল। অর্থাৎ দেড় বছর ধরে সাক্ষাৎকারগুলো নেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চিন্তকদের বইপত্র, লেখাঝোখা আমাকে নিবিড়ভাবে পড়তে হয়েছে, সেখান থেকে কোন কোন বিষয় ধরে আলোচনা এগিয়ে নেব তা নির্ধারণ করতে হয়েছে। 

সত্যি কথা বলতে, এই জার্নি আমার জন্য অত্যন্ত পরিশ্রমের এবং আনন্দের ছিল। প্রচ্ছদে উল্লিখিত পাঁচজন বিশিষ্ট চিন্তকের সর্বমোট সাতটি সাক্ষাৎকার আমি নিয়েছি। সাধারণত সাক্ষাৎকার যেমন হয়ে থাকে, এই বইয়ের সাক্ষাৎকারসমূহ সম্ভবত তার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন ধাঁচের হবে। 

কারণ যে সমস্ত বিষয় এখানে আলোচিত হয়েছে, সম্মানিত পাঠকবৃন্দ সেইসব বিষয়ে আমার দৃষ্টিভঙ্গিও খানিকটা আঁচ করতে পারবেন বোধকরি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশ্নটা উপলক্ষ মাত্র, প্রশ্নের আগের আলোচনাটাই মূল। তবে স্বীকার করে নেয়া ভালো, জরুরি প্রতিচিন্তা বের করে আনার স্বার্থে বেশ কিছু ক্ষেত্রে প্রতাপশালী ডিসকোর্সের পক্ষে আমি ডেভিল’স অ্যাডভোকেসি করেছি। 

ওইসব ক্ষেত্রে ওই মতগুলোতে আমার আস্থা না থাকলেও মতগুলোর জায়গা থেকে আলাপটা তুলেছি, যেন কার্যকর সমালোচনা উঠে আসে। তত্ত্ব এই বইয়ে আমার অন্যতম প্রধান মনোযোগের বিষয় হিসেবে থেকেছে। কারণ দুঃখজনক হলেও সত্য, রাজনীতি, অ্যাক্ টিভিজম কিংবা এমনকি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার ক্ষেত্রেও, বাংলাদেশে, তত্ত্ব প্রশ্নে মোটাদাগে তিন ধরনের অবস্থান দেখা যায়। এক, তত্ত্ববিমুখতা তথা তত্ত্ব করাকে বিলাসিতা এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে পলায়নপরতা হিসেবে বিবেচনা করা। 

দুই, ইতিমধ্যে প্রাপ্ত তত্ত্বের ব্যাপারে নিঃসংশয় থাকা এবং সেগুলোর পুনর্তদন্তে অনীহা। তিন, তত্ত্ব যা করা দরকার তা আমরা করে ফেলেছি, এখন কেবল ধর তক্তা মারো পেরেক-এমন মনোভাব। বলা বাহুল্য, এই তিন অবস্থানই ক্ষতিকর। কারণ প্রথম এবং সবচেয়ে যুতসই প্রতিরোধটা তত্ত্ব থেকেই আসে। প্রায়ই দেখা যায়, যেকোনো ক্ষমতাশীল বিদ্যমানতার যারা বিরোধিতা করছেন, তারা আর তাদের ক্ষমতাবান প্রতিপক্ষ-উভয়ে একই তাত্ত্বিক প্যারাডাইমে অবস্থান করছেন। কাজেই অধিপতিশীল ক্ষমতার বিরোধিতা করে সেই একই জিনিসে পর্যবসিত হতে না চাইলে সবার আগে দরকার তাত্ত্বিক ভিন্নতা। অবশ্য আপাত ন্যায়সঙ্গত কিংবা বিপ্লবী মতাদর্শের মোড়কে ক্ষমতা চর্চা কর‍তে চাইলে কথা ভিন্ন। একটা সম্পূর্ণ নতুন তাত্ত্বিক ভাষার জগত-পুরোনো সমস্ত কিছুকে সটান ঝেড়ে ফেলে দিয়ে নয়, নতুন সচেতনতার সাথে পুরোনো চিন্তাকে হালনাগাদ করে নিয়ে— নির্মাণের চেষ্টা আমার কাছে এই সময়ের সবচেয়ে জরুরি রাজনৈতিক-বুদ্ধিবৃত্তিক কর্তব্য বলে মনে হয়। সে কারণেই তত্ত্ব ও তৎপরতার একটা কার্যকর যুগলবন্দী খুঁজে পাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টার ছাপ এই বইয়ের সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই পুস্তকে পাঁচজন বিশিষ্ট তাত্ত্বিক ও চিন্তকের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতা গড়ে তোলা হয়েছে-তা ইতিমধ্যে উল্লিখিত। 

যে পাঁচজন তাত্ত্বিকের সাথে আমার আলাপচারিতার সুযোগ ঘটেছে, তারা প্রত্যেকেই স্ব স্ব কাজের ক্ষেত্রে এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদ্যায়তনিক ও ক্রিটিক্যাল বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার পরিসরে বহুল পরিচিত-পঠিত। মূলত তাঁদের কাজের এলাকাগুলোর সাথে বাংলাদেশের ভাবুক ও চিন্তাশীল পাঠককে পরিচয় করিয়ে দেয়ার তাড়না এই সাক্ষাৎকারগুলোর অন্যতম অনুঘটক। এছাড়াও আলোচনায় সেইসকল বিষয়ই প্রাধান্য পেয়েছে, যেগুলো বাংলাদেশের জনপরিসরের এবং প্রাত্যহিক জনজীবনের জ্বলন্ত বিষয়। 

আলাপচারিতাটা গড়ে তুলবার সময়ে আমার মূল ঝোঁক ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাস্তবতার প্রতি খেয়াল রাখা। সেটা কতটা করতে পেরেছি বা আদৌ পেরেছি কি না তার বিচারের ভার পাঠকের দরবারে। এ পরিসরে কেবল এইটুকু বলা জরুরি, এই বইয়ের সাক্ষাৎকারসমূহ আমার নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক বোঝাপড়াকে ঝালাই করার ক্ষেত্রে বিপুলভাবে সহায়ক হয়েছে; আশা করি তার কিছু নজির এই বইয়ে পেশ করতে পেরেছি। সংশ্লিষ্ট চিন্তকদের বইপত্র ও লেখাঝোখা পড়তে পড়তে টেক্সট পাঠের কলাকৌশল রপ্ত করার ক্ষেত্রেও একটা জবরদস্ত মহড়া হয়েছে-প্রাপ্তি হিসেবে এর মূল্যও নেহায়েত কম নয়। বইটি পড়ার সময়ে বিদগ্ধ পাঠকবৃন্দ এই মশহুর চিন্তকদের পাশাপাশি আমাকেও পড়বেন সেই আশাবাদ রাখছি।  

Writer

সারোয়ার তুষার

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

ISBN

9789849884279

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৪

Pages

260

একই বিষয়ের অন্যান্য বই
জনপ্রিয় বই
রিসেন্ট ভিউ বই
Your Dynamic Snippet will be displayed here... This message is displayed because you did not provided both a filter and a template to use.
WhatsApp Icon