৪৮-৭২ ঘন্টায় ক্যাশ অন ডেলিভারি। ০১​৫​৮১১০০০০১​

শামীম হুসাইন : ফ্রিল্যান্সার গড়ার কারিগর
শামীম হুসাইন : ফ্রিল্যান্সার গড়ার কারিগর
240.00 ৳
300.00 ৳ (20% OFF)
ইতিহাসে রাজনীতির গল্প
ইতিহাসে রাজনীতির গল্প
0.00 ৳
0.00 ৳
2025 Book Fair

তথ্যপ্রযুক্তির নায়ক শাহেদা মুস্তাফিজ

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার

https://gronthik.com/web/image/product.template/487/image_1920?unique=ad5b02b

187.50 ৳ 187.5 BDT 250.00 ৳

250.00 ৳

Not Available For Sale


This combination does not exist.

Out of Stock

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার শাহেদা মুস্তাফিজের জীবনী প্রকাশিত হলো—এটা খুবই আনন্দের একটি ব্যাপার।

১৯৬৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার আসে। স্বাধীনতার আগে ও পরে হাতে গোনা কিছু প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার ব্যবহার করত। সে সময় নারী তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষও কম্পিউটার সম্পর্কে কিছু জানত না। হাতে গোনা কিছু মানুষ কম্পিউটার সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং বলা নিষ্প্রয়োজন যে এদের সবাই পুরুষ।

এ রকম একটা পরিবেশে ১৯৭৬ সালে শাহেদা মুস্তাফিজ এনসিআর করপোরেশনে সফটওয়্যার আর্কিটেকচার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। একে তো নারী, তার ওপরে তিনি অর্থনীতির মতো একটি বিষয় থেকে পড়াশোনা করে এমন একটি পেশাকে বেছে নিয়েছেন, যা সত্যিই সেই সময়ের তুলনায় অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং একটি ব্যাপার। আজ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে অনেক সফল নারী আইটি প্রফেশনাল ও আইটি উদ্যোক্তা আছেন। পুরুষদের সঙ্গে রীতিমতো পাল্লা দিয়ে এসব নারী কাজ করছেন। এর পেছনে শাহেদা মুস্তাফিজের অবদান অনস্বীকার্য।

গত শতাব্দীর আশির দশকে একজন কম্পিউটার প্রশিক্ষক হিসেবে আমি আমার ক্যারিয়ার শুরু করি। কাজের সূত্রেই শাহেদা মুস্তাফিজের সঙ্গে পরিচয় হয় আমার। অত্যন্ত সৎ, চৌকস ও কর্মঠ একজন মানুষ। সবার সঙ্গে খুব সুন্দরভাবে মিশে যেতে পারতেন।

বিশ্বজুড়ে এখন সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যাথমেটিকসের (Science, Technology, Engineering, Mathematics—STEM) জয়জয়কার। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও এখন স্টেম নিয়ে পড়াশোনা করছেন। কম্পিউটার বিজ্ঞান, কম্পিউটার প্রকৌশল, ডেটা সায়েন্স—এসব বিষয় ‍স্টেমের মধ্যেই পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্যাটিস্টিকসের (National Center for Science and Engineering Statistics—NCSES) তথ্য মোতাবেক, ২০১১ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে দেশটিতে নারী স্টেম কর্মীর সংখ্যা ৯৪ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১ কোটি ২৩ লাখে পৌঁছে গেছে।

এটা সত্যি যে বাংলাদেশে বর্তমানে নারী স্টেম গ্র্যাজুয়েটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। কিন্তু তাদের সংখ্যা এখনো অনেক কম। বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি জেন্ডার অ্যাসেসমেন্ট ২০২১-এর তথ্য অনুসারে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের স্টেম প্রফেশনালদের মাত্র ১৪ শতাংশ নারী।

বাংলাদেশের তরুণীরা তরুণদের চেয়ে কোনো অংশেই কম নন। শাহেদা মুস্তাফিজের ওপরে লেখা এই বই আমাদের তরুণীদের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতে উৎসাহিত করবে।


রাহিতুল ইসলাম

তিনি একজন বাংলাদেশি তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিক, লেখক ও নাট্যকার। বর্তমানে একটি শীর্ষ দৈনিকে সাংবাদিকতা করছেন, পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাও করেন। তবে তাঁর আগ্রহের বিষয় মূলত তথ্যপ্রযুক্তি। সংবাদপত্রে লিখে আর কথাসাহিত্য রচনার মধ্য দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছেন পাঠকদের এই জগতের জানা-অজানা নানা বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত করাতে। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: ‘চরের মাস্টার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার’, ‘হ্যালো ডাক্তার আপা’, ‘কল সেন্টারের অপরাজিতা’, ‘ভালোবাসার হাট-বাজার’, ‘কেমন আছে ফ্রিল্যান্সার নাদিয়া’, শামীম হুসাইন: ফ্রিল্যান্সার গড়ার কারিগর’ ইত্যাদি। ইতিমধ্যে ‘তথ্যপ্রযুক্তির নায়ক’ সিরিজে তিনি তিনটি জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ করেছেন, যা বেশ প্রশংসিত হয়েছে। স্বনামধন্য সব প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর বই প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর ‘আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প’ বইটি ফিলিপাইন থেকে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প’ বইয়ের জন্য জাতীয় ফ্রিল্যান্সিং অ্যাওয়ার্ড (২০১৯) এবং ‘কল সেন্টারের অপরাজিতা’র জন্য এসবিএসপি সাহিত্য পুরস্কার (২০২১) পেয়েছেন।

Writer

রাহিতুল ইসলাম

Publisher

প্রতিভাষা প্রকাশন

ISBN

9789849951216

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

Edition

1st

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫

Pages

70

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার শাহেদা মুস্তাফিজের জীবনী প্রকাশিত হলো—এটা খুবই আনন্দের একটি ব্যাপার।

১৯৬৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার আসে। স্বাধীনতার আগে ও পরে হাতে গোনা কিছু প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার ব্যবহার করত। সে সময় নারী তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষও কম্পিউটার সম্পর্কে কিছু জানত না। হাতে গোনা কিছু মানুষ কম্পিউটার সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং বলা নিষ্প্রয়োজন যে এদের সবাই পুরুষ।

এ রকম একটা পরিবেশে ১৯৭৬ সালে শাহেদা মুস্তাফিজ এনসিআর করপোরেশনে সফটওয়্যার আর্কিটেকচার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। একে তো নারী, তার ওপরে তিনি অর্থনীতির মতো একটি বিষয় থেকে পড়াশোনা করে এমন একটি পেশাকে বেছে নিয়েছেন, যা সত্যিই সেই সময়ের তুলনায় অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং একটি ব্যাপার। আজ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে অনেক সফল নারী আইটি প্রফেশনাল ও আইটি উদ্যোক্তা আছেন। পুরুষদের সঙ্গে রীতিমতো পাল্লা দিয়ে এসব নারী কাজ করছেন। এর পেছনে শাহেদা মুস্তাফিজের অবদান অনস্বীকার্য।

গত শতাব্দীর আশির দশকে একজন কম্পিউটার প্রশিক্ষক হিসেবে আমি আমার ক্যারিয়ার শুরু করি। কাজের সূত্রেই শাহেদা মুস্তাফিজের সঙ্গে পরিচয় হয় আমার। অত্যন্ত সৎ, চৌকস ও কর্মঠ একজন মানুষ। সবার সঙ্গে খুব সুন্দরভাবে মিশে যেতে পারতেন।

বিশ্বজুড়ে এখন সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যাথমেটিকসের (Science, Technology, Engineering, Mathematics—STEM) জয়জয়কার। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও এখন স্টেম নিয়ে পড়াশোনা করছেন। কম্পিউটার বিজ্ঞান, কম্পিউটার প্রকৌশল, ডেটা সায়েন্স—এসব বিষয় ‍স্টেমের মধ্যেই পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্যাটিস্টিকসের (National Center for Science and Engineering Statistics—NCSES) তথ্য মোতাবেক, ২০১১ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে দেশটিতে নারী স্টেম কর্মীর সংখ্যা ৯৪ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১ কোটি ২৩ লাখে পৌঁছে গেছে।

এটা সত্যি যে বাংলাদেশে বর্তমানে নারী স্টেম গ্র্যাজুয়েটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। কিন্তু তাদের সংখ্যা এখনো অনেক কম। বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি জেন্ডার অ্যাসেসমেন্ট ২০২১-এর তথ্য অনুসারে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের স্টেম প্রফেশনালদের মাত্র ১৪ শতাংশ নারী।

বাংলাদেশের তরুণীরা তরুণদের চেয়ে কোনো অংশেই কম নন। শাহেদা মুস্তাফিজের ওপরে লেখা এই বই আমাদের তরুণীদের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতে উৎসাহিত করবে।


Writer

রাহিতুল ইসলাম

Publisher

প্রতিভাষা প্রকাশন

ISBN

9789849951216

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

Edition

1st

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫

Pages

70

একই বিষয়ের অন্যান্য বই
রিসেন্ট ভিউ বই
Your Dynamic Snippet will be displayed here... This message is displayed because you did not provided both a filter and a template to use.
WhatsApp Icon