৪৮-৭২ ঘন্টায় ক্যাশ অন ডেলিভারি। ০১​৫​৮১১০০০০১​

আরণ্যক
আরণ্যক
0.00 ৳
0.00 ৳
পথের পাঁচালী
পথের পাঁচালী
0.00 ৳
0.00 ৳
Up Coming

পথের দাবি

https://gronthik.com/web/image/product.template/458/image_1920?unique=ad5b02b

"পথের দাবি" একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত উপন্যাস, যেখানে মানবিক সংগ্রাম এবং আত্মবিশ্বাসের পরীক্ষা ফুটে উঠেছে। উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন সাধারণ মানুষ, যার জীবন এক কঠিন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে চলে। সমাজের অসামাজিকতার বিরুদ্ধে সে একটি নীরব যুদ্ধ চালাচ্ছে। লেখক এই গল্পের মাধ্যমে সেই ব্যক্তির অন্তর্দ্বন্দ্ব, সামাজিক অবিচার, আর মূল্যবোধের সংকট তুলে ধরেছেন, যা তার জীবনের পথটিকে প্রভাবিত করে।

উপন্যাসটি কেবল একটি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ যাত্রা নয়, বরং সমাজের বৃহত্তর এক চিত্র। এটি আমাদের দেখায়, সমাজের মধ্যে ভাঙাচুরা, বৈষম্য এবং অবিচারের চিত্র কীভাবে প্রতিটি মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। কেন্দ্রীয় চরিত্রটি নিজের জীবন এবং সমাজের পরিবর্তন চায়, কিন্তু সে বুঝতে পারে যে এককভাবে সমাজে পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়, এর জন্য আরও বড় সংগ্রাম প্রয়োজন। এই সংগ্রাম শুধু তার নিজের নয়, তার আশেপাশের মানুষদেরও। সেই সংগ্রাম একদিকে ব্যক্তিগত মুক্তির পথ, অন্যদিকে সমাজে সাম্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা।

উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে সেইসব প্রশ্ন যা সমাজের নৈতিকতা, মূল্যবোধ এবং মানবাধিকার সম্পর্কে চিন্তা করতে বাধ্য করে। লেখক এখানে তুলে ধরেছেন, একজন সাধারণ মানুষ যখন সমাজের অসঙ্গতি দেখতে পায়, তখন সে কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সামাজিক চাপ, অসহায়ত্ব, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার দাপটের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদ এবং সংগ্রামের চেষ্টা উপন্যাসটির মূল সুর। সেই সংগ্রামের পথ সহজ নয়, বরং একটি কঠিন, কঠোর, এবং সময়সাপেক্ষ যাত্রা, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে আত্মবিশ্বাস এবং শক্তির প্রয়োজন হয়।

এই উপন্যাসটির অন্যতম শক্তি হচ্ছে এর চরিত্রগুলোর মানসিক জটিলতা এবং তাদের সংগ্রামকে অনুধাবন করা। লেখক চরিত্রগুলির মাধ্যমে সমাজের বিভাজন, শ্রেণী বৈষম্য, এবং মানুষজনের শোষণ ও নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরেছেন। এই চিত্রগুলি পাঠককে নিজের জীবন এবং সমাজের অবস্থা পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য করে। চরিত্রটির সংগ্রাম শুধুমাত্র তার নিজের জন্য নয়, বরং তার আশেপাশের সমাজের জন্যও একটি মাইলফলক হয়ে ওঠে।

"পথের দাবি" উপন্যাসটি একটি গভীর সামাজিক মন্তব্য, যেখানে মানবতার জন্য একটি উজ্জ্বল এবং ন্যায়ের পথে যাওয়ার আহ্বান রয়েছে। এটি পাঠকদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে আমাদের সংগ্রাম এবং সংগ্রাম-যাত্রা কখনো শেষ হয় না, তা আমাদের জন্য নতুন পথ এবং উদ্দেশ্য তৈরি করে। এটি আমাদের প্রেরণা দেয়, যাতে আমরা ন্যায়, সমতা এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে পারি। উপন্যাসটি মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ ঘটায় এবং আমাদের সচেতন করে তোলে যে সমাজের কাঠামো পরিবর্তন করার জন্য প্রতিটি ব্যক্তির দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।

এই উপন্যাসের মূল বার্তা হল, যে পথটি কঠিন এবং বিপজ্জনক মনে হয়, সেই পথটিই সমাজের পরিবর্তন এবং ব্যক্তিগত মুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানুষ যখন তার আত্মবিশ্বাস এবং নৈতিকতার সাথে চলতে শুরু করে, তখন সমাজও পরিবর্তন হতে শুরু করে। "পথের দাবি" একটি শক্তিশালী সামাজিক এবং মানবিক গল্প, যা প্রত্যেককে তাদের সংগ্রামের জন্য অনুপ্রাণিত করে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬ – ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮ ; ৩১ ভাদ্র ১২৮৩ - ২ মাঘ ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক, ও গল্পকার। তিনি দক্ষিণ এশিয়া এবং বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক।[২][৩] লেখালিখির গুরু মানেন ফরাসি সাহিত্যিক এমিল জোলাকে। তার অনেক উপন্যাস ভারতবর্ষের প্রধান ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে। বড়দিদি (১৯১৩), পরিণীতা (১৯১৪), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (চারখণ্ডে ১৯১৭-১৯৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), পথের দাবী (১৯২৬), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি শরৎচন্দ্র রচিত বিখ্যাত উপন্যাস।[২] বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার জন্য তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত। তিনি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক পান৷[৪] এছাড়াও, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ডিলিট' উপাধি পান ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে।[৫] শরৎচন্দ্রের অনেকগুলি উপন্যাস চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে, এবং সেগুলো প্রচুর জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

Writer

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

Edition

1st

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫

"পথের দাবি" একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত উপন্যাস, যেখানে মানবিক সংগ্রাম এবং আত্মবিশ্বাসের পরীক্ষা ফুটে উঠেছে। উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন সাধারণ মানুষ, যার জীবন এক কঠিন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে চলে। সমাজের অসামাজিকতার বিরুদ্ধে সে একটি নীরব যুদ্ধ চালাচ্ছে। লেখক এই গল্পের মাধ্যমে সেই ব্যক্তির অন্তর্দ্বন্দ্ব, সামাজিক অবিচার, আর মূল্যবোধের সংকট তুলে ধরেছেন, যা তার জীবনের পথটিকে প্রভাবিত করে।

উপন্যাসটি কেবল একটি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ যাত্রা নয়, বরং সমাজের বৃহত্তর এক চিত্র। এটি আমাদের দেখায়, সমাজের মধ্যে ভাঙাচুরা, বৈষম্য এবং অবিচারের চিত্র কীভাবে প্রতিটি মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। কেন্দ্রীয় চরিত্রটি নিজের জীবন এবং সমাজের পরিবর্তন চায়, কিন্তু সে বুঝতে পারে যে এককভাবে সমাজে পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়, এর জন্য আরও বড় সংগ্রাম প্রয়োজন। এই সংগ্রাম শুধু তার নিজের নয়, তার আশেপাশের মানুষদেরও। সেই সংগ্রাম একদিকে ব্যক্তিগত মুক্তির পথ, অন্যদিকে সমাজে সাম্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা।

উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে সেইসব প্রশ্ন যা সমাজের নৈতিকতা, মূল্যবোধ এবং মানবাধিকার সম্পর্কে চিন্তা করতে বাধ্য করে। লেখক এখানে তুলে ধরেছেন, একজন সাধারণ মানুষ যখন সমাজের অসঙ্গতি দেখতে পায়, তখন সে কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সামাজিক চাপ, অসহায়ত্ব, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার দাপটের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদ এবং সংগ্রামের চেষ্টা উপন্যাসটির মূল সুর। সেই সংগ্রামের পথ সহজ নয়, বরং একটি কঠিন, কঠোর, এবং সময়সাপেক্ষ যাত্রা, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে আত্মবিশ্বাস এবং শক্তির প্রয়োজন হয়।

এই উপন্যাসটির অন্যতম শক্তি হচ্ছে এর চরিত্রগুলোর মানসিক জটিলতা এবং তাদের সংগ্রামকে অনুধাবন করা। লেখক চরিত্রগুলির মাধ্যমে সমাজের বিভাজন, শ্রেণী বৈষম্য, এবং মানুষজনের শোষণ ও নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরেছেন। এই চিত্রগুলি পাঠককে নিজের জীবন এবং সমাজের অবস্থা পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য করে। চরিত্রটির সংগ্রাম শুধুমাত্র তার নিজের জন্য নয়, বরং তার আশেপাশের সমাজের জন্যও একটি মাইলফলক হয়ে ওঠে।

"পথের দাবি" উপন্যাসটি একটি গভীর সামাজিক মন্তব্য, যেখানে মানবতার জন্য একটি উজ্জ্বল এবং ন্যায়ের পথে যাওয়ার আহ্বান রয়েছে। এটি পাঠকদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে আমাদের সংগ্রাম এবং সংগ্রাম-যাত্রা কখনো শেষ হয় না, তা আমাদের জন্য নতুন পথ এবং উদ্দেশ্য তৈরি করে। এটি আমাদের প্রেরণা দেয়, যাতে আমরা ন্যায়, সমতা এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে পারি। উপন্যাসটি মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ ঘটায় এবং আমাদের সচেতন করে তোলে যে সমাজের কাঠামো পরিবর্তন করার জন্য প্রতিটি ব্যক্তির দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।

এই উপন্যাসের মূল বার্তা হল, যে পথটি কঠিন এবং বিপজ্জনক মনে হয়, সেই পথটিই সমাজের পরিবর্তন এবং ব্যক্তিগত মুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানুষ যখন তার আত্মবিশ্বাস এবং নৈতিকতার সাথে চলতে শুরু করে, তখন সমাজও পরিবর্তন হতে শুরু করে। "পথের দাবি" একটি শক্তিশালী সামাজিক এবং মানবিক গল্প, যা প্রত্যেককে তাদের সংগ্রামের জন্য অনুপ্রাণিত করে।

Writer

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

Edition

1st

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫

একই বিষয়ের অন্যান্য বই
রিসেন্ট ভিউ বই
Your Dynamic Snippet will be displayed here... This message is displayed because you did not provided both a filter and a template to use.
WhatsApp Icon