৪৮-৭২ ঘন্টায় ক্যাশ অন ডেলিভারি। ০১​৫​৮১১০০০০১​

পথের পাঁচালী
পথের পাঁচালী
0.00 ৳
0.00 ৳
মুঘল হারিম
মুঘল হারিম
0.00 ৳
0.00 ৳
Up Coming

শেষের কবিতা

https://gronthik.com/web/image/product.template/464/image_1920?unique=ad5b02b

শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এক অসাধারণ রোমান্টিক উপন্যাস, যেখানে প্রেম, ত্যাগ, এবং আত্মোপলব্ধির জটিল রূপ ফুটে উঠেছে। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে দুই চরিত্র, অমিত রায় এবং লাবণ্য।


অমিত রায় একজন ধনী ও স্বাধীনচেতা যুবক। তিনি ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগী, এবং আধুনিক জীবনের প্রতিফলন তাঁর চিন্তা-চেতনায় প্রকাশ পায়। পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় লাবণ্যর, যিনি একজন স্নাতক ছাত্রী। লাবণ্যর জীবন সহজ-সরল, এবং তিনি বাঙালিত্বের ঐতিহ্যে বিশ্বাসী। অমিত ও লাবণ্যর মধ্যে ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।


তবে তাঁদের প্রেম একধরনের আদর্শ প্রেম—যেখানে ভোগ বা দখলের কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই। অমিত ও লাবণ্য বুঝতে পারেন, বাস্তব জীবনে তাঁদের একসঙ্গে থাকা সম্ভব নয়, কারণ তাঁদের জীবনদর্শন ও মূল্যবোধ ভিন্ন। অমিতের জীবনে কেটরিন নামের এক ইংরেজ মহিলা এবং লাবণ্যর জীবনে শোভনলাল নামের আরেকজন পুরুষের উপস্থিতি তাঁদের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে।


শেষে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, প্রেমকে স্বর্গীয় ও নিঃস্বার্থ রেখে নিজেদের আলাদা পথে চলবেন। এই সিদ্ধান্ত একদিকে কষ্টকর হলেও তাঁদের আত্মিক সম্পর্ককে পূর্ণতা দেয়।


শেষের কবিতায় প্রেমের গভীরতা এবং মানবিক সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ দেখিয়েছেন, সত্যিকারের প্রেম কখনোই দখলের জন্য নয়, বরং ত্যাগ এবং পরস্পরের উন্নতিকে স্বীকার করার মধ্যে তা বিরাজ করে।


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ। তিনি ছিলেন একাধারে বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়।রবীন্দ্রনাথকে “গুরুদেব”, “কবিগুরু” ও “বিশ্বকবি” অভিধায় ভূষিত করা হয়।রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক,[৬] ১৩টি উপন্যাস[৭] ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত।[১২] এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন।রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি প্রথম অ-ইউরোপীয় এবং প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতৃপুরুষের আবাসভূমি বাংলাদেশের খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার অন্তর্গত ঘাটভোগ ইউনিয়নের পিঠাভোগ গ্রামে। বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার "অভিলাষ" কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়।১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকি ভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়।১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন।১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে 'নাইট' উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন। ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।[২৯] ১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।

Writer

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

Edition

1st

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫

শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এক অসাধারণ রোমান্টিক উপন্যাস, যেখানে প্রেম, ত্যাগ, এবং আত্মোপলব্ধির জটিল রূপ ফুটে উঠেছে। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে দুই চরিত্র, অমিত রায় এবং লাবণ্য।


অমিত রায় একজন ধনী ও স্বাধীনচেতা যুবক। তিনি ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগী, এবং আধুনিক জীবনের প্রতিফলন তাঁর চিন্তা-চেতনায় প্রকাশ পায়। পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় লাবণ্যর, যিনি একজন স্নাতক ছাত্রী। লাবণ্যর জীবন সহজ-সরল, এবং তিনি বাঙালিত্বের ঐতিহ্যে বিশ্বাসী। অমিত ও লাবণ্যর মধ্যে ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।


তবে তাঁদের প্রেম একধরনের আদর্শ প্রেম—যেখানে ভোগ বা দখলের কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই। অমিত ও লাবণ্য বুঝতে পারেন, বাস্তব জীবনে তাঁদের একসঙ্গে থাকা সম্ভব নয়, কারণ তাঁদের জীবনদর্শন ও মূল্যবোধ ভিন্ন। অমিতের জীবনে কেটরিন নামের এক ইংরেজ মহিলা এবং লাবণ্যর জীবনে শোভনলাল নামের আরেকজন পুরুষের উপস্থিতি তাঁদের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে।


শেষে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, প্রেমকে স্বর্গীয় ও নিঃস্বার্থ রেখে নিজেদের আলাদা পথে চলবেন। এই সিদ্ধান্ত একদিকে কষ্টকর হলেও তাঁদের আত্মিক সম্পর্ককে পূর্ণতা দেয়।


শেষের কবিতায় প্রেমের গভীরতা এবং মানবিক সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ দেখিয়েছেন, সত্যিকারের প্রেম কখনোই দখলের জন্য নয়, বরং ত্যাগ এবং পরস্পরের উন্নতিকে স্বীকার করার মধ্যে তা বিরাজ করে।


Writer

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

Edition

1st

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫

একই বিষয়ের অন্যান্য বই
জনপ্রিয় বই
রিসেন্ট ভিউ বই
Your Dynamic Snippet will be displayed here... This message is displayed because you did not provided both a filter and a template to use.
WhatsApp Icon