৪৮-৭২ ঘন্টায় ক্যাশ অন ডেলিভারি। ০১​৫​৮১১০০০০১​

রিবা
রিবা
225.00 ৳
300.00 ৳ (25% OFF)
কথাশিল্পী শহীদুল জহির : বিষয়-বিশ্লেষণ ও জাদুবাস্তবতা
কথাশিল্পী শহীদুল জহির : বিষয়-বিশ্লেষণ ও জাদুবাস্তবতা
375.00 ৳
500.00 ৳ (25% OFF)
Best Seller

প্রজ্ঞান চর্চায় ইরান

https://gronthik.com/web/image/product.template/260/image_1920?unique=ad5b02b

262.50 ৳ 262.5 BDT 350.00 ৳

350.00 ৳

Not Available For Sale


This combination does not exist.

Out of Stock
এই বই সম্পর্কে আরিফ রহমান বলেছেন

আমরা যেই একটা এম্পেথেটিক রাষ্ট্রের কথা ভাবি, ইকবালের রচনা আমাদের সেই সহমর্মী রাষ্ট্রের সন্ধান দেয়। কিন্তু দুঃখ 'সারে জাহা সে আচ্ছা' সহ অসংখ্য গান ও গজলের লেখক, কবি, দার্শনিক, মুসলিম স্কলার ইকবাল আমাদের এখানে সেভাবে পঠিত হননি। তবে এই দিব্য ইকবাল নিজেই দেখে গিয়েছিলেন। ইকবাল দেখেছেন মুসলমানদের ‘কলব মে সোজ নেহি, রুহ মে ইহসাস নেহি’। আত্মার মধ্যে এহসাস নেই মুসলিমের, প্রাণবান কোনো অনুভূতি নেই। অন্তরে মধ্যে নেই কোনো তীব্র দহন। এই প্রাণহীনদের মধ্যে ইকবাল খুঁজে পান না সত্যিকার মুসলমানের অবয়ব।


বর্তমান সংস্করণ প্রসঙ্গে  ইকবালের The Development of Metaphysics in Persia ১৯০৮ সালের  মিউনিখের পিএইচডি থিসিসের অবলম্বনে লেখা। সে বছরই তা বই করে ছাপা হয় লন্ডনের লুজাক এন্ড কোম্পানি থেকে। পরে এটি ফারসি, উর্দু, ব্যসনিয়সহ অনেক ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইকবাল গবেষণা শুরু করেন লাহোরে প্রাচ্যবিদ টমাস অরনল্ডের সঙ্গে। সেই কাজ জার্মানি ও ইংল্যান্ডে চালু রেখে তার সমাপ্তি টানেন মিউনিখে।

 ইকবালের ডক্টরেট ডিগ্রির তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ফ্রিতজ হোমেল। এই বিষয়ে ইকবালের আগে কেউ ইংরেজি ভাষায় গবেষণা করেননি।  গবেষণায় তিনি পারস্যের অধিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। আলোচনার ব্যপ্তি ইসলামপূর্ব কাল থেকে উনবিংশ শতাব্দি পর্যন্ত। শুরু জরথ্রুস্তবাদ থেকে বাহাই দর্শনের সূত্রপাত পর্যন্ত। 

পারস্যে ইসলামের অধিবিদ্যা চর্চার বিকাশে  ইসলামপূর্ব বিশ্বাস পদ্ধতির কী ভূমিকা ছিল? ইসলামের আগমনের পর গ্রিক চিন্তারই বা কোনো ভূমিকা ছিল কি? এই প্রশ্নটি ইকবালের এই বইয়ের অন্যতম একটি আলোচ্য বিষয়।  ইকবালের মতে পারস্য মনন ইসলামকে তাঁদের দীর্ঘ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার সাপেক্ষে আবার বিবৃত করেছে। 

ইকবাল দাবি করেন যে পারস্যের অধিবিদ্যার বিষয়গুলোর সংস্থান বাস্তবকে দ্বৈতবাদী আর একত্ববাদী দৃষ্টিভঙ্গির মাঝের সমস্যা হিসেবে দেখতে হবে। তিনি প্রস্তাব করেন যে, ইসলাম -পূর্ব মাজিবাদী দ্বৈতবাদ আর ইসলাম-পরবর্তি গ্রিক দ্বৈতবাদ, এই দুইয়ের সঙ্গে মোকাবিলা পারস্যের অধিবিদ্যা চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।  এটি ইকবালের প্রথম বই। তখন ইকবাল তাঁর চিন্তার মাধ্যম হিসেবে কাব্যকে আশ্রয় করেননি। বইটি পূর্ব বা পশ্চিমে কোথাও খুব বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করেনি। কিন্তু ইকবাল  ইসলামি দর্শনের এমন একটি দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন যা ১৯৭০-এর আগে আর আলোচিত হয়নি। 

 দীর্ঘদিন ধরে এর একমাত্র বাঙলা অনুবাদটি গ্রন্থাকারে উপলব্ধ ছিল না। অনুবাদকের উত্তরসূরিরা সেটি প্রকাশের অনুমতি এবং অনুবাদক সম্পর্কে আলোচনা লিখে দিয়ে আমাদের বাধিত করেছেন। সমগ্র বাংলাভাষীরা এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকবেন। সব মিলিয়ে এই বইখানি আবার ছাপারূপে হাজির হয়েছে। এতে ইকবালের বিশ্লেষণের যে মেজাজটি পাওয়া যায় তা বর্তমান সময়ের আগ্রহী চর্চাকারীদের জন্য মূল্যবান একটি উপাদান হতে পারে এতে সন্দেহ নেই। জাভেদ হুসেন মার্চ ২০২২, ঢাকা

ড. মুহাম্মদ ইকবাল

(১৮৭৭-১৯৩৮) বৃটিশ ভারতের কবি, দার্শনিক ও ব্যরিস্টার। বিংশ শতাব্দীতে প্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী দার্শনিক যিনি কবিতাকে তাঁর দর্শনের মাধ্যম করেছেন। এই বইটি তাঁর ১৯০৮ সালে মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশ করা পিএইচডি থিসিস। এতে তিনি অনুসন্ধান করেছেন পারস্যে জরথুস্ত্রের কাল থেকে বাহাই মতের উদ্ভব পর্যন্ত প্রজ্ঞজ্ঞচর্চা বা অধিবিদ্যার বিকাশের ধারা। পাশ্চাত্য চিন্তা পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ পাওয়া মনের সঙ্গে প্রাচ্য আবহের মনের মিলিত রূপ নিয়ে ইকবাল এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু সজীব পাঠটি তৈরি করেছেন। সুফিবাদের উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বিষয়টিকে পূর্ববর্তী অনুসন্ধানের তুলনায় আরও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিবেচনা করার দাবি করেছেন। এই রানাটি মূলত পারস্য চিন্তাধারার বিভিন্ন পদ্ধতি এবং একে অপরের সাথে তাদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করার সাথে সম্পর্কিত। হাজার বছর ধরে তৈরি হওয়া সৃদ্ধ ও জটিল চিন্তাধারাগুলোকে ইকবাল মাত্র শতাধিক পৃষ্ঠায় সুসংহতভাবে তুলে ধরার উদ্দোগ নিয়েছেন।

কামালউদ্দীন আহমদ খান

১৯০৭ সালের ১০ মে চট্টগ্রামের জন্মগ্রহণ করেন। প্রগতিশীল এবং শিক্ষামোদী পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি প্রথম থেকেই আধুনিক শিক্ষার আবহের মধ্যে বেড়ে ওঠেন। চট্টগ্রামেই মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে বিএসসি অনার্স এবং এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। একজন সাহিত্যানুরাগী হিসাবে বুদ্ধিরমুক্তি আন্দোলন ও শিখা গোষ্ঠির সাথে সম্পৃক্ত হন। নিজস্ব রচনার সংকলন প্রকাশিত হয় 'কথায় কথায়' নামে। তিনি শিশুদের জন্য বেশ কিছু ইংরেজি রচনা অনুবাদ করেন। সমকালীন বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর অনুদিত ও সমালোচনামূলক রচনা প্রকাশিত হয়েছ। এক পর্যায়ে ইকবালের কাব্য এবং দর্শন নিয়ে আগ্রহ বোধ করেন এবং ইকবালের The Development of Metaphysics in Persia অনুবাদ করেন। অবিভক্ত ভারতে সরকারি চাকুরিজীবন শুরু করে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৭ সালের চার অক্টোবার পরলোক গমন করেন। তিনি স্ত্রী সুফিয়া কামালসহ তিন কন্যা ও দুই পুত্র রেখে যান।

Writer

ড. মুহাম্মদ ইকবাল

Translator

কামালউদ্দীন আহমদ খান

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

ISBN

9789849649052

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২২

Pages

216

বর্তমান সংস্করণ প্রসঙ্গে  ইকবালের The Development of Metaphysics in Persia ১৯০৮ সালের  মিউনিখের পিএইচডি থিসিসের অবলম্বনে লেখা। সে বছরই তা বই করে ছাপা হয় লন্ডনের লুজাক এন্ড কোম্পানি থেকে। পরে এটি ফারসি, উর্দু, ব্যসনিয়সহ অনেক ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইকবাল গবেষণা শুরু করেন লাহোরে প্রাচ্যবিদ টমাস অরনল্ডের সঙ্গে। সেই কাজ জার্মানি ও ইংল্যান্ডে চালু রেখে তার সমাপ্তি টানেন মিউনিখে।

 ইকবালের ডক্টরেট ডিগ্রির তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ফ্রিতজ হোমেল। এই বিষয়ে ইকবালের আগে কেউ ইংরেজি ভাষায় গবেষণা করেননি।  গবেষণায় তিনি পারস্যের অধিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। আলোচনার ব্যপ্তি ইসলামপূর্ব কাল থেকে উনবিংশ শতাব্দি পর্যন্ত। শুরু জরথ্রুস্তবাদ থেকে বাহাই দর্শনের সূত্রপাত পর্যন্ত। 

পারস্যে ইসলামের অধিবিদ্যা চর্চার বিকাশে  ইসলামপূর্ব বিশ্বাস পদ্ধতির কী ভূমিকা ছিল? ইসলামের আগমনের পর গ্রিক চিন্তারই বা কোনো ভূমিকা ছিল কি? এই প্রশ্নটি ইকবালের এই বইয়ের অন্যতম একটি আলোচ্য বিষয়।  ইকবালের মতে পারস্য মনন ইসলামকে তাঁদের দীর্ঘ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার সাপেক্ষে আবার বিবৃত করেছে। 

ইকবাল দাবি করেন যে পারস্যের অধিবিদ্যার বিষয়গুলোর সংস্থান বাস্তবকে দ্বৈতবাদী আর একত্ববাদী দৃষ্টিভঙ্গির মাঝের সমস্যা হিসেবে দেখতে হবে। তিনি প্রস্তাব করেন যে, ইসলাম -পূর্ব মাজিবাদী দ্বৈতবাদ আর ইসলাম-পরবর্তি গ্রিক দ্বৈতবাদ, এই দুইয়ের সঙ্গে মোকাবিলা পারস্যের অধিবিদ্যা চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।  এটি ইকবালের প্রথম বই। তখন ইকবাল তাঁর চিন্তার মাধ্যম হিসেবে কাব্যকে আশ্রয় করেননি। বইটি পূর্ব বা পশ্চিমে কোথাও খুব বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করেনি। কিন্তু ইকবাল  ইসলামি দর্শনের এমন একটি দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন যা ১৯৭০-এর আগে আর আলোচিত হয়নি। 

 দীর্ঘদিন ধরে এর একমাত্র বাঙলা অনুবাদটি গ্রন্থাকারে উপলব্ধ ছিল না। অনুবাদকের উত্তরসূরিরা সেটি প্রকাশের অনুমতি এবং অনুবাদক সম্পর্কে আলোচনা লিখে দিয়ে আমাদের বাধিত করেছেন। সমগ্র বাংলাভাষীরা এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকবেন। সব মিলিয়ে এই বইখানি আবার ছাপারূপে হাজির হয়েছে। এতে ইকবালের বিশ্লেষণের যে মেজাজটি পাওয়া যায় তা বর্তমান সময়ের আগ্রহী চর্চাকারীদের জন্য মূল্যবান একটি উপাদান হতে পারে এতে সন্দেহ নেই। জাভেদ হুসেন মার্চ ২০২২, ঢাকা

Writer

ড. মুহাম্মদ ইকবাল

Translator

কামালউদ্দীন আহমদ খান

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

ISBN

9789849649052

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২২

Pages

216

একই বিষয়ের অন্যান্য বই
রিসেন্ট ভিউ বই
Your Dynamic Snippet will be displayed here... This message is displayed because you did not provided both a filter and a template to use.
WhatsApp Icon