৪৮-৭২ ঘন্টায় ক্যাশ অন ডেলিভারি। ০১​৫​৮১১০০০০১​

ইহুদি প্রশ্ন প্রসঙ্গে
ইহুদি প্রশ্ন প্রসঙ্গে
240.00 ৳
320.00 ৳ (25% OFF)
শান্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সন্ত্রাস
শান্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সন্ত্রাস
375.00 ৳
500.00 ৳ (25% OFF)
2025 Book Fair

পুখে 'র বয়ানে আত্মহত্যা

https://gronthik.com/web/image/product.template/474/image_1920?unique=11b9b3f

202.50 ৳ 202.5 BDT 270.00 ৳

270.00 ৳

Not Available For Sale


This combination does not exist.

Out of Stock
এই বই সম্পর্কে Nazmul Alam Srabon বলেছেন

রাষ্ট্র এবং সমাজ কিভাবে আমাদের বেঁচে থাকার অন্তরায়, কিভাবে আমাদের মরে যেতে বাধ্য করে, কিভাবে আমরা বাধ্য হই আত্মহত্যা করতে। ছোট্টো এই বইটা তার অনেক কিছুই খোলাসা করেছে। "পুখে'র বয়ানে আত্মহত্যা-কার্ল মার্কস" ফারুক সাদিক কে ধন্যবাদ চমৎকার একটি ভূমিকাসহ বইটি অনুবাদ করবার জন্য।

এই বই সম্পর্কে Minhazul Islam বলেছেন

আমি মনে করি মার্ক্সের লেখা (বিবৃতিতে) এই বইটির অনুবাদ করার প্রচেষ্টা অনুবাদক সাদিকের জন্য একটি সাফল্য, সাফল্য তার প্রকাশনীর জন্য এবং পাঠকের জন্য এটি একটি নিঃশর্ত উপহারস্বরূপ। এছাড়াও, আত্মহত্যা যে একটি সামাজিক বিষয় এবং এটা যে সামাজিক সম্পর্কের বিষয়ের মধ্যে দিয়ে বোঝা অতিমাত্রায় জরুরি, সেই জরুরতের আদি ও ধ্রুপদী প্রকাশ হলো পুখে'র বয়ানে মার্ক্সের লেখা এই বই। পুখে'র বয়ান ও অভিজ্ঞতার ফিরিস্তি হয়তো তার সময়ে ফরাসির সমাজের মাঝেই নিবদ্ধ ছিলো, কিন্তু মার্ক্সের দোহাই দিয়ে বলা যায়, উক্ত বয়ান ও অভিজ্ঞতার বিষয়বস্তু এক কথায় যাকে বলে সময়হীন সময়ের কথা, জীবনহীন জীবনের আলাপ, সংগ্রামহীন সংগ্রামের প্রলাপ। অনুবাদক সাদিককে ধন্যবাদ এই রকম একটি টেক্সট কষ্ট করে অনুবাদ করার জন্য আর gronthik.com কে ধন্যবাদ একরকম একটি অভিনব বই প্রকাশের জন্য। এবং যারা আত্মহত্যা বিষয়ক সমাজতত্ত্ব ও নানান সামাজিক-মনোবিশ্লেষণী গবেষণায় আগ্রহী তারাও এই বইটি পড়তে পারেন। আর যারা জীবনের কোনো দিগন্ত খুঁজে পাচ্ছেন না বলে চূড়ান্ত অবসাদে ভুগছেন, তারাও পড়ে দেখতে পারেন। পুখে'র বয়ান নির্ভর এই বইটি আমি পড়েছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে। যখন মার্ক্সিস্ট আর্কাইভ থেকে মার্ক্সের প্রাক-বয়স্ক লেখাজোকা গুলো পড়তাম তখন। তবে কখনো ভাবিনি যে এই টেক্সট বাংলায় অনূদিত হবে কোনো কালে। অনুবাদক সাদিক সেটা করেছেন, যারা পড়বেন তারা ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না তাকে।


আপনি কখনও কোনো প্রাণী হত্যা করেছেন বা খুন হতে দেখেছেন? হাঁস-মুরগি জবাই করা থেকে গোরু জবাইয়ের মতো ঘটনা হোক, আর সাক্ষাৎ মানুষ খুনের মতো ঘটনাই হোক-এমন কোনো ঘটনা যদি দেখে থাকেন, সমস্ত ঘটনাতেই আপনি সাধারণভাবে যেই জিনিসটা খুব স্পষ্ট দেখবেন সেটা হচ্ছে প্রাণের বেঁচে থাকার প্রাণান্তকর চেষ্টা। প্রাণপণে এই আকস্মিক মৃত্যুকে অস্বীকার করতে চায় খুন হতে চলা প্রতিটি প্রাণ, আমরা বিশ্বজিৎকে দেখেছি টেলিভিশনের ক্যামেরায় কী নিদারুণভাবে ঘাতকদের একের পর এক ছুরির আঘাত থেকে বাঁচতে চাইছেন। র‍্যাবের হাতে গুলি খাওয়া টেকনাফের একরামুল হকের ফোনকলের রেকর্ড থেকে আমরা শুনেছি প্রতিটি গুলির পরে কী নিদারুণ আঁকুতির হেঁচকি টানছেন একরাম-তেমন আমরা দেখি গলাকাটা হাঁস মৃত্যুকে অস্বীকার করে ছুটে পালাতে চায়। আমরা দেখি কোরবানীতে জবাই হওয়া গোরুর মৃত্যুকে প্রতিরোধের প্রাণান্তকর চেষ্টাকে সামাল দিতে অন্তত হাফডজন তাগড়া জোয়ানের দরকার হয়। এইযে প্রাণের মৃত্যুকে অস্বীকার করে তাকে প্রতিরোধ করার সংগ্রাম-এই প্রবণতা এই বিশ্বের প্রতিটি প্রাণের ভেতর বিরাজমান। প্রাণের এই জীবনমুখীতার নাম ফ্রয়েড দিয়েছেন ‘ডেথ ইন্সটিংক্ট’। এই ডেথ ইন্সটিংক্ট সকল প্রাণের ভেতর সমানভাবে বিরাজমান-সে পশু হোক, কিংবা জীববৈচিত্র্যের একেবারে নিচের তলার সদস্য থেকে সর্বশক্তিমান মানুষ-সকলের ভেতর বেঁচে থাকার এক অদম্য প্রবণতা কাজ করে। এই প্রবণতার নাম ডেথ ইন্সটিংক্ট দেখে আপনারা ঘাবড়ে যেতে পারেন, বেঁচে থাকার এই প্রাণান্তকর চেষ্টার প্রবণতার নাম ডেথ ইন্সটিংক্ট হয় কী করে?


কার্ল মার্কস

কার্ল মার্ক্স ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির ট্রিয়ার শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হাইনরিখ মার্ক্স ছিলেন একজন আইনজীবী এবং মাতা হেনরিয়েটা প্রেসবার্গ। ইহুদি পরিবারে জন্ম নেওয়া মার্ক্সের বাবা পরে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। শৈশবে মার্ক্স ছিলেন কৌতূহলী এবং মেধাবী, যা তাকে পরবর্তী জীবনে গভীর চিন্তক এবং দার্শনিক হতে অনুপ্রাণিত করে। কিশোর বয়সে মার্ক্স সাহিত্য এবং দর্শনে গভীর আগ্রহ দেখান। ১৮৩৫ সালে তিনি বন বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অধ্যয়ন শুরু করেন, তবে পরবর্তীতে বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত হন। সেখানে তিনি দর্শন এবং ইতিহাসে মনোনিবেশ করেন। তার প্রিয় শিক্ষক হেগেলের দর্শনের প্রতি তার দার্শনিক ভিত্তি গড়ে তোলে। ছাত্রজীবনেই তিনি রাজনীতি এবং সমাজবিজ্ঞানের তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। মার্ক্সের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৮৪৩ সালে, যখন তিনি রাইনিশ জেইতুং নামে একটি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে কাজ শুরু করেন। সেখানে পুঁজিবাদ এবং সামাজিক অবিচার নিয়ে লেখার জন্য সরকার তাকে নির্বাসনে পাঠায়। এরপর তিনি প্যারিসে যান, যেখানে তার সঙ্গে ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। এই সম্পর্ক তাদের যুগান্তকারী রচনা কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো (১৮৪৮) প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মার্ক্স তার পুরো জীবন পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সমালোচনা এবং সাম্যবাদী সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার তত্ত্ব নিয়ে কাটিয়েছেন। তার লেখা দাস ক্যাপিটাল পুঁজিবাদের অর্থনৈতিক কাঠামোর গভীর বিশ্লেষণ প্রদান করে। জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি লন্ডনে স্থায়ী হন এবং সেখানেই ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন। তার চিন্তাধারা পরবর্তী শতাব্দীতে বিপ্লবী আন্দোলন এবং আধুনিক সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর ভিত্তি স্থাপন করে।

ফারুক সাদিক

*ফারুক সাদিক: এক অনন্য সংগ্রামী পথিক* ফারুক সাদিক বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। তার সংগ্রামী মানসিকতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি তাকে শিক্ষাজীবন থেকেই পরিচিতি এনে দেয়। তিনি বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (BUTEX)-এ শিক্ষার্থী থাকাকালীন ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ফারুক সাদিকের জীবনের বড় অংশজুড়ে ছিল তার নীতিগত দৃঢ়তা ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতি অঙ্গীকার। BUTEX-এ অধ্যয়নকালীন তিনি শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং শ্রমিক অধিকার নিয়ে আন্দোলনে যুক্ত হন। তার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ছাত্রজীবনে তার একাগ্রতা এবং মেধার প্রভাব শুধু BUTEX নয়, দেশের ছাত্র আন্দোলনেও ব্যাপকভাবে প্রতিফলিত হয়। তার নেতৃত্ব সবসময় ছিল গণমানুষের কল্যাণে নিবেদিত। শিক্ষা, শিল্প এবং শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে তার নিরলস প্রচেষ্টা তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস। ফারুক সাদিকের ব্যক্তিগত জীবনেও ন্যায়পরায়ণতা এবং উদারতা ছিল প্রশংসনীয়। BUTEX-এ ছাত্রজীবনের স্মৃতি এবং ছাত্র ইউনিয়নের সাথে তার সম্পৃক্ততা তাকে এখনো ছাত্র রাজনীতির একটি প্রগতিশীল নাম হিসেবে তুলে ধরে।

Writer

কার্ল মার্কস

Translator

ফারুক সাদিক

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

ISBN

9789849976516

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

Edition

1st

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫

Pages

84

আপনি কখনও কোনো প্রাণী হত্যা করেছেন বা খুন হতে দেখেছেন? হাঁস-মুরগি জবাই করা থেকে গোরু জবাইয়ের মতো ঘটনা হোক, আর সাক্ষাৎ মানুষ খুনের মতো ঘটনাই হোক-এমন কোনো ঘটনা যদি দেখে থাকেন, সমস্ত ঘটনাতেই আপনি সাধারণভাবে যেই জিনিসটা খুব স্পষ্ট দেখবেন সেটা হচ্ছে প্রাণের বেঁচে থাকার প্রাণান্তকর চেষ্টা। প্রাণপণে এই আকস্মিক মৃত্যুকে অস্বীকার করতে চায় খুন হতে চলা প্রতিটি প্রাণ, আমরা বিশ্বজিৎকে দেখেছি টেলিভিশনের ক্যামেরায় কী নিদারুণভাবে ঘাতকদের একের পর এক ছুরির আঘাত থেকে বাঁচতে চাইছেন। র‍্যাবের হাতে গুলি খাওয়া টেকনাফের একরামুল হকের ফোনকলের রেকর্ড থেকে আমরা শুনেছি প্রতিটি গুলির পরে কী নিদারুণ আঁকুতির হেঁচকি টানছেন একরাম-তেমন আমরা দেখি গলাকাটা হাঁস মৃত্যুকে অস্বীকার করে ছুটে পালাতে চায়। আমরা দেখি কোরবানীতে জবাই হওয়া গোরুর মৃত্যুকে প্রতিরোধের প্রাণান্তকর চেষ্টাকে সামাল দিতে অন্তত হাফডজন তাগড়া জোয়ানের দরকার হয়। এইযে প্রাণের মৃত্যুকে অস্বীকার করে তাকে প্রতিরোধ করার সংগ্রাম-এই প্রবণতা এই বিশ্বের প্রতিটি প্রাণের ভেতর বিরাজমান। প্রাণের এই জীবনমুখীতার নাম ফ্রয়েড দিয়েছেন ‘ডেথ ইন্সটিংক্ট’। এই ডেথ ইন্সটিংক্ট সকল প্রাণের ভেতর সমানভাবে বিরাজমান-সে পশু হোক, কিংবা জীববৈচিত্র্যের একেবারে নিচের তলার সদস্য থেকে সর্বশক্তিমান মানুষ-সকলের ভেতর বেঁচে থাকার এক অদম্য প্রবণতা কাজ করে। এই প্রবণতার নাম ডেথ ইন্সটিংক্ট দেখে আপনারা ঘাবড়ে যেতে পারেন, বেঁচে থাকার এই প্রাণান্তকর চেষ্টার প্রবণতার নাম ডেথ ইন্সটিংক্ট হয় কী করে?


Writer

কার্ল মার্কস

Translator

ফারুক সাদিক

Publisher

গ্রন্থিক প্রকাশন

ISBN

9789849976516

Language

বাংলা

Country

Bangladesh

Format

হার্ডব্যাক

Edition

1st

First Published

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫

Pages

84

একই বিষয়ের অন্যান্য বই
জনপ্রিয় বই
রিসেন্ট ভিউ বই
Your Dynamic Snippet will be displayed here... This message is displayed because you did not provided both a filter and a template to use.
WhatsApp Icon